মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

খাদ্য অধিদপ্তরের চাউল কুষ্টিয়া কবুরহাটে ভেজালের চাচার গোডাউনে ।

সম্পাদনায় / ১২৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন

খাদ্য অধিদপ্তরের চাউল কুষ্টিয়া কবুরহাটে ভেজালের চাচার গোডাউনে ।

 

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাট মাদ্রাসা পাড়ার সাইফুল ইসলাম খুনকার (ভেজালের চাচা) ভাড়াকৃত গোডাউনে সাড়ে ১৩ টন চাউলের মজুদ পাওয়া গেছে। গোডাউনের মালিক তালেবের কাছ থেকে সাইফুল ভাড়া নিয়ে গোডাউনটি চালাচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” স্লোগানের খাদ্য অধিদপ্তরের সিল সম্বলিত ৩০কেজির বস্তার সর্বমোট সাড়ে  ১৩ টন সরকারী চাউল ওই গোডাউনে মজুদ আছে।

গোডাউনের মালিক সাইফুল জানান, কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন থেকে এই সাড়ে ১৩ টন চাউল তিনি কেজি প্রতি ৩৮টাকা দরে ক্রয় করে ৪০টাকা দরে বিক্রি করছেন। কিন্তু চাউল ক্রয়ের বৈধ কোন কাগজপত্রই দেখাতে পারেন নি।

বিষয়টি জানার পর থেকেই উপস্থিত সাংবাদিকরা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করতে থাকলেও প্রায় ৩ঘন্টায় ফলাফল দাঁড়ায় শূন্যর কোটায়। এরপর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জেলা পুলিশকে অবগত করার পর জগতী ক্যাম্পের আইসি মেহেদী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর দুর্নীতিবাজ সাইফুল ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য নতুন নাটকের জন্ম দেন। একজন সাংবাদিক তার কাছে টাকা চেয়েছেন বলে নাটক তৈরী করেন। এই নাটকে তার দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছেলেও মোবাইল হাতে নিয়ে নিজেকে বড় ইউটিউবার পরিচয় দিয়ে উচ্চস্বরে উপস্থিত সকলের সামনে তেড়ে আসেন। তারপর টাকা চাওয়ার মিথ্যা নাটকের অভিনয়ে তিনি একজন সাংবাদিকের উপরে চড়াও হন। পরে জনগনের উপস্থিতিতে বিষয়টিতে সাইফুলের দোষ প্রমাণিত হলে সবাই সাইফুল ও তার ছেলেকে থামতে অনুরোধ জানান।

কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শওকত কবীর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তার সামনেও সাইফুল ও তার ছেলে একই নাটক মঞ্চস্থ করার চেষ্টাকালে তিনি ভিত্তিহীন কথাবার্তা না বলার জন্য বলেন। তারপর তিনি গোডাউন পরিদর্শন করে ভিতরে সরকারী বস্তায় চাউল মজুদ দেখতে পান। তিনি এই গোডাউন বন্ধ রাখার জন্য বলেন। খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তদন্ত টিম আসবেন এবং তাদের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে বটতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ মোমিন মন্ডল বলেন, এই চাউল কিভাবে ঐখানে গেলো তা আমার জানা নাই । হয়তো এইটা রেশন বা দুঃস্থদের চাউল হতে পারে । ক্রয়ের চালান না থাকলে এইটা অবশ্যই অবৈধ ।

বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খাইরুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি এখনই দেখছি।

পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে জেলা ফুড অফিসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ফুড পরিদর্শক মোঃ জহুরুল আলম জানান, আমরা ইতিমধ্যে বিষয়টি জেনেছি এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
     12
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
19202122232425
2627282930  
       
22232425262728
293031    
       
       
       
      1
30      
   1234
       
282930    
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.