শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ায় স্ত্রী থাকার পরেও দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে একই মেয়েকে দু’বার বিয়ে করলো পুলিশ  ।

মতিয়ার রহমান / ২২৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২১, ৪:৪২ অপরাহ্ন
খবরের ছবি



*****আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন*****

যোগাযোগঃ০১৮৬০-৫১৬৯২২


কুষ্টিয়ায় স্ত্রী থাকার পরেও দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে একই মেয়েকে দু’বার বিয়ে করলো পুলিশ  ।

ক্রাইম রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত হেলাল মোর্শেদ নামের একজন প্রথম স্ত্রী থাকার পরও প্রেম করে দ্বিতীয়বার এক মেয়েকে দুই দুইবার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

গতবছরের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে মোবাইল ফোনে পরিচয় এবং এরপর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ভেড়ামারার চাঁদ গ্রামের হেলাল মোর্শেদ ও ভুক্তভোগী এক নারী ।

ভুক্তভোগী মেয়েটি জানান, প্রথমে তিনি জানতেন না হেলাল মোর্শেদ বিবাহিত এবং তার দু’টি সন্তান আছে । মেয়েটি হেলাল মোর্শেদের স্ত্রী এবং সন্তান আছে জানান পর হেলাল মোর্শেদ তাকে আশ্বস্ত করেন তিনি তার প্রথম স্ত্রী কে তালাক দিবেন ।

এরপর হেলাল মোর্শেদ মেয়েটিকে গত বছরের ১০ই নভেম্বর ২০২০ইং তারিখে কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে অবস্থিত কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টে ডেকে আসাদুল্লাহ মাদানী নামক এক কাজের মাধ্যমে বিবাহ করেন । এরপর মেয়েটি তাদের কাবিননামা চাইলে প্রতারক হেলাল মোর্শেদ তাকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন ।

পরে মেয়েটি বুঝতে পারে ভুয়া কাবিনে তাকে বিয়ে করেছেন প্রতারক হেলাল মোর্শেদ । এরপর মেয়ে তাকে চাপ দিতে থাকলে গত বছরের ১৪ ই ডিসেম্বর ২০২০ ইং তারিখে মেয়েটি সহ হেলাল মোর্শেদ মিরপুরের টিক্কা কাজী অফিসে হাজির হয়ে পুনরায় বিয়ে করেন ।

উল্লেখ্য হেলাল মোর্শেদ বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত এবং তার ব্যাচ নাম্বার ৮০৫ বলে মেয়েটি জানান ।

মেয়েটির প্রথম বিয়ের ব্যাপারে কাজী আসাদুল্লাহ মাদানী ‘র নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হেলাল মোর্শেদ তাকে মিথ্যা বিয়ে পড়াতে বাধ্য করেছিল ।

হেলাল মোর্শেদ কিছুদিন আগে ভেড়ামারা জিআরপি থানায় কর্মরত থাকলেও বর্তমানে ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনের জিআরপি থানায় কর্মরত রয়েছেন ।

শরীয়ত সম্মত উপায়ে বিবাহ করলেও গত তিন মাস ধরে মেয়েটির কোন ভরণপোষণ ব্যয় নির্বাহ করছেন না প্রতারক হেলাল মোর্শেদ । ভূক্তভোগী মেয়েটি তার কাছে ভরণপোষনের টাকা চাইলে সে বিভিন্ন টালবাহানা করে তাকে দিনের পর দিন ঘোরাতে থাকেন ।

মেয়েটির কাছে বিয়ের কোন ডকুমেন্টস বা কাবিননামা না থাকায় সে হেলাল মোর্শেদ এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না । মেয়েটি প্রতিবেদকের এর কাছে অভিযোগ করে বলেন তিনি মিরপুরের কাজী টিক্ক’র কাছে তার কাবিননামা চাইলে তিনি তার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেন।

এই বিষয়ে টিক্কা কাজীর সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি হেলাল মোর্শেদ ও মেয়েটির বিবাহের সত্যতা স্বীকার করেন এবং বলেন, কাবিননামার বিষয়ে তিনি মেয়েটির কাছে কোন টাকা দাবি করেন নাই । মেয়েটি তার অফিসে আসলে তিনি তার কাবিননামা তাকে দিয়ে দিবেন ।

ভুক্তভোগী মেয়েটি প্রতিবেদক কে আরো জানান, প্রথম বিয়ের কাবিন নামায় প্রতারক হেলাল মোর্শেদ তার বাবার নাম আজগর আলী এবং মায়ের নাম আমেনা খাতুন বলে উল্লেখ করেন । পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিয়ের সময় তিনি তার বাবার নাম আনসার আলী ও মায়ের নাম রোকেয়া বলে উল্লেখ করেন ।

এই বিষয়ে হেলাল মোর্শেদ এর মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও ফোন রিসিভ না করার কারণে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নাই ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
       
       
      1
30      
   1234
       
282930    
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.