শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
কুমারখালীর চাঁদপুর ইউনিয়নে নৌকার হাল ধরতে চান শাহ্ মোঃ নজরুল ইসলাম। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে বিদায় নিয়েছেন । কুষ্টিয়ায় পৌর নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন মৃত সবুর জান,হারেজানসহ ২৪ জন কবরবাসী ।  কুষ্টিয়ায় মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধঃসমস্যা সমাধান চান ভুক্তভোগীরা  । কুষ্টিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলা  । হলুদে মেশানো হচ্ছিলো চাউলের গুড়া ও রঙঃব্যবসায়ীকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা  । কুষ্টিয়ায় র‍্যাব দেখে পালিয়ে গেলেন অবৈধ ডিস ব্যবসায়ী সিরাজ চেয়ারম্যান । কুষ্টিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় র‌্যাবের অভিযানে জরিমানা ১৮ লক্ষ টাকা  । কুমারখালীতে চায়ের কাপ দিয়ে মাথা ফাটালো পৌর নির্বাচনে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থীর  । সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মাকে হারিয়ে এতিম হলো আফরা  ।
ঘোষনা :
সত্য প্রকাশই আমাদের লক্ষ্য দৈনিক বাংলার রূপকথা ডটকমে আপনাকে স্বাগতম ।

কুমড়োর বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত গ্রামের গৃহবধুরা ।

পুলক সরকার / ১৯০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

শীতের চিরায়ত প্রকৃতিতে এখন কুমড়োর বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত বাংলার গৃহবধুরা । গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যানুসারে বাংলার শীতকাল কুমড়োর বড়ি তৈরির মৌসুম। শীতকালে সারিবদ্ধ ভাবে বসে গ্রামের মেয়েরা হাতের ছোয়ায় বিভিন্ন ধরনের ডালার উপর কুমড়োর বড়ি দিয়ে থাকে।

শীতের খাবার রান্না করা বিভিন্ন তরকারির সাথে কুমড়োবড়ি যেন খাবারের ভিন্ন স্বাদ নিয়ে আসে। দেশে বর্তমানে নানা ধরনের খাবারের  প্রচলন থাকলেও লোভনীয় খাবারের তালিকায় কুমড়োর বড়ির অবস্থান এখনও  প্রথম সারিতে রয়েছে । লোকজ এই ঐতিহ্য  এখন পর্যন্ত রক্ষা করে চলেছে বাংলার গৃহবধুরা।

বৃহত্তর কুষ্টিয়া  গ্রামীণ জনপদের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এই সময় চোখে পড়ে কুমড়োর বড়ি তৈরি ও শুকানোর দৃশ্য। কুমড়োর বড়ি তৈরি করতে বিশেষ কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়। দুইদিন আগে মাসকলাই ডাল সারা রাত পানিতে ভেজানো হয়। চামচ বা কুরানি দিয়ে কুমড়া কেটে আগে থেকে কুরে রাখা হয়। ভেজানো ডাল ও কুমড়ো পানিতে ধুয়ে আলাদা ঢেঁকি অথবা শিলপাটায় পিষতে হয়। তারপর শীতের সকালে মিষ্টি রোদ উঠলে পেষানো কুমড়ো ও ডাল একত্রে মিশিয়ে কাদার মতো করে পিষে নেট অথবা কাপড়ের উপর হাতের ছোঁয়ায় লাইন করে বড়ি বানিয়ে বসানো হয়। বড়ি বসানো শেষ হলে বাড়ির উঠানের মাচায়, ঘরের চালে অথবা ঘরের ছাদে রোদে শুকানো  হয়। রোদ হলে সপ্তাহ খানেক পর কুমড়োর বড়ি রান্না করে খাওয়ার উপযোগী হয়।

বিভিন্ন গ্রামের একাধিক গৃহবধু্রা বলেন ,রোদ না হলে কুমড়োর বড়ি শুকানো যায় না। ভালো রোদ না পেলে বড়িতে ছত্রাক এবং দুর্গন্ধ হয় ফলে খাওয়া যায় না। এজন্য কুমড়োর বড়ি তৈরি করতে রোদেলা  দিনের প্রয়োজন  হয়।’

বর্তমানে কুমড়োর বড়ি স্থানীয় বাজারে কেজি প্রতি অড়াই শত থেকে তিনশত  টাকা বিক্রি হচ্ছে। গ্রামের অনেক গৃহবধু সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে বাড়তি আয়ের জন্য শীত মৌসুমে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বড়ি তৈরি করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে থাকে । আবার অনেকে এই মৌসুমী ব্যবসা হিসেবেও বেছে নিয়েছেন এই কাজকে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
    123
18192021222324
25262728293031
       
      1
30      
   1234
       
282930    
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       
এক ক্লিকে বিভাগের খবর