শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

কলারোয়াতে একটি ব্রীজে আটকে আছে চার ইউনিয়নের মানুষের স্বপ্ন !

নিজস্ব প্রতিনিধি / ৪৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০, ৫:০৪ অপরাহ্ন

হোয়াংহো যেমন চীনের দু:খ তেমিন কেড়াগাছির মানুষের দু:খ একটি ব্রীজের। মাত্র ৫০ ফিট একটি ব্রীজ আটকে আছে আশার বৃত্তে। কথার আশ্বাসে হবে হবে করে সময় পার হয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি তাদের স্বপ্ন। এই সব মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের সারথী হতে দেবদূতের মতো হাজির হন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী জেরীন কান্তা।

বৃহস্পতিবার (২৩’জুলাই)  কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী জেরীন কান্তা এই এলাকায় আসবেন জানতে পেরে মুহুর্তেই জড়ো হন সাধারণ মানুষ।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী জেরীন কান্তা বৃহস্পতিবার (২৩’জুলাই)  ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিদর্শনের গেলে সাধারণ মানুষের আশার দেহে যেন নতুন করে প্রাণ সঞ্চারণ হয়। চকিতেই জটলা তৈরী হয় সেখানে,আপনজন ভেবে তার কাছে তুলে ধরেন একটি ব্রীজ নির্মাণের আর্জি।

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বিল্লালের বাড়ি পাশে বোয়ালিয়া আর পাচপোতা গ্রামের সংযোগস্থল নৌখালের উপর মাত্র ৫০ ফিট দৈর্ঘ্যের একটি ব্রীজের জন্য বিচ্ছিন্ন তিনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাচপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসেতে হয় খালের ওপর সাঁকো পার হইয়ে। বর্ষাকালে খালে পানি থই থই করে। তখন শিশুদের এই সাঁকো পার হওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ সেটা ভুক্তভোগী মাত্র জানে। যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে তৃণমূল মানুষের উন্নয়ন। কৃষি পণ্য পরিবহনে ভুগতে হচ্ছে কৃষকদের। চারদিকে পাকা সড়ক থাকলেও শুধু নৌখালের ওপর ব্রীজটির জন্য সবাই যেন বিচ্ছিন্ন জনপদ। সেই দূরাবস্থা থেকে পরিত্রাণ চান তিন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

গণমানুষের মুখপাত্র বনে যান কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের কেঁড়াগাছি গ্রামের কৃষক বিল্লাল হোসেন। তিনি বলেন, আপনার কাছে আমাগের কিচ্চু চাওয়ার নেই শুদু এই ব্রীজডা ছাড়া। এইডে হলি আমাগের যে কি উপকার হবে তা কইয়ে বুজোতি পারবো না। ব্রীজডা হলি আমাগের উপকারের শেষ নেই। শাহপুর, গোয়ালচাপোট, লাঙলঝাড়া তেলকুপির সব লোকজন এই সাকো দিয়ে যাওয়া আসা করে। যদি ব্রীজডা কইরে দেন তালি আপনার যে নাম করবো তার কোন তুলনা নেই। তার সাথে সুর মিলান উপস্থিত জনতা।

গণমানুষের দাবির মুখে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী জেরীন কান্তা যখন বললেন বিষয়টি তিনি দেখবেন তখন তাদের মুখে আকর্ণ হাসি। নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন তারা। তাদের এখন শুধু অপেক্ষার প্রহর গোনার পালা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.