শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন

রোগ সারাতে সংগীত থেরাপি – এস এম নাজিম রেজা ।     

এস এম নাজিম রেজা / ১৪৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০, ৪:২১ অপরাহ্ন
সংগীত শিল্পী ও গবেষকঃএস এম নাজিম রেজা

এখন বিশ্ব জুড়ে এক আতঙ্ক ” করোনা ভাইরাস” ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনের উহান শহরে ছড়িয়ে পড়ে তা থেকে দ্রুত সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। কোন  দেশ তার আওতার বাহিরে নয়।ইতিমধ্যে ছয় লক্ষের অধিক মানুষ  মৃত্যু বরণ করেছেন আরও কোটির উর্ধে মানুষ  আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়ে  যাচ্ছে। আক্রান্ত  ও মৃত্যুর মিছিল পাশাপাশি  এগিয়ে চলছে।  অদ্যবধি নিরাময়যোগ্য  কোন ঔষধ আবিষ্কার  হয়নি চলছে  পরীক্ষা  নিরীক্ষার কাজ।কেউই  এখন পর্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য আশ্বাসবাণী জানাতে পারেন নাই। বেশ কিছু দিন লক্ষ্য  করছি বহির্বিশ্বের দেশ সহ আমাদের  দেশও মিউজিক থেরাপির প্রয়োগ  লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে হাসপাতালের করোনা আক্রান্ত রোগীদের সাথে নিয়ে বাজনায় নৃত্য, গীতের মাধ্যমে মানুষকে উৎসাহ ব্যন্জক,মনোবল চাঙ্গা করার চেষ্টা  অব্যহত রয়েছে।  এছাড়াও সামনের  সারির যোদ্ধাদের রাস্তায় রাস্তায় সমবেত গানে প্রেরণা মূলক,সাহসিকতা  গড়ে তোলার প্রচেষ্টা এক নতুনত্বের সংযোজন।এখানে  উল্লেখ্য যে,গত ২০১৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত দৈনিক সমকাল কাগজে অন্য খবর কলামে “সংগীতের  যাদুতে উধাও  হবে রোগ ” হেড লাইনে এর বিস্তারিত ভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে।

ডেনমার্কের আরহাস বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক  গবেষণা বলছেঃ

 

১। মেজাজ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে সংগীত।  মস্তিষ্কের ডোপামিনের প্রভাবেই এ ঘটনা  ঘটে।   এই ডোপামিনকে নিয়ন্ত্রণ করে সংগীত।

২।উচ্চ রক্তচাপ,ডিপ্রেশন, ঘুমে জড়তা বা স্মৃতি  লোপের মতো অসুখ সারাতে এর বিকল্প নাই।

৩। এছাড়া সংগীত মস্তিষ্কের পেশী স্বাভাবিক  রাখে ফলে ষ্ট্রোকের কারনে লোপ পাওয়া বাক  শক্তি ফিরে  পেতে পারকিনসন্স রোগ  থেকে  ধীরে ধীরে আরোগ্যে  লাভ করা যায়।

৪।সিজোফ্রেনিয়া, আ্যমনেসিয়া, ডিমেনশিয়া,  আলঝেইমার্স রোগের দুর্দান্ত ঔষধ  এ সংগীত।

৫।গর্ভবতী মায়েরা  নিয়মিত গান শুনলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ সুন্দর হয়।

৬।গবেষকগনের দাবী গান শোনার পর ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে পড়ার আগ্রহ বাড়ে সেই সাথে বাড়ে মনোযোগ বাড়ে দক্ষতা।

৭।অটিজেম আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসায় সংগীত  থেরাপির কোন জুড়ি নাই। গবেষণায় প্রত্যেক বিযয় সুন্দর ও সাবলীলভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যে ব্যক্তি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মী তিনি     মানবিক  হওয়া স্বাভাবিক তার মধ্যে থাকেনা অহংকার,হিংসা। সে হয় কোমল মনের অধিকারী এগুলো সবার  কাম্য।এই হোক আমাদের আন্তরিক চাওয়া ।

 

সকলকে মানবিক হওয়ার প্রত্যাশায় ধন্যবাদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.