রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

দৌলতপুরে টাকা আত্মসাৎ করার জন্য হত্যার চেষ্টায় ব্যর্থ ।

মানজারুল ইসলাম খোকন / ১৬২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০, ২:৫৩ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ার  দৌলতপুর উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নে ঝাউদিয়া উত্তরপাড়ায় যাওয়ার সময় আহসান নগর কারীগরী কলেজের কাছে টাকা আত্মসাৎ  করার উদ্দেশ্যে এক প্রবাসীকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মেহেরপুর উপজেলার গাংনী উপজেলার  ছাতিয়ান গ্রামের মরজেম হোসেন এর ছেলে মামুন জানান,আমি দীর্ঘদিন অস্টিয়া থাকি সেই দেশের নাগরিকত্ব পেয়েছি। রেফায়েতপুর  ইউনিয়নের  ঝাউদিয়া উত্তর পাড়া গ্রামে বড়  বোনের বিয়ে হয়েছে । সেই সুবাদেই মাসুদ রুমি ও রবিউল ইসলাম আমার আত্মীয়। তারা আমাকে যুক্তি দেন, আপনি তো বাহিরে আছেন,  আমাদের এখানে মুরগী ও গরুর খামার করলে ব্যাপক লাভোবান হওয়া যাবে। যদি আপনি চান তাহলে আপনি টাকা দিলে আমরা খামার তৈরি করবো,  আমরা দেখাশোনা করবো কিন্তু খামারে যে লাভ হবে তা জন প্রতি ২৫% হারে ভাগ হবে ।

তাদের কথা মত আমি খামারে যে অর্থ ব্যয় হয়, তার ৮০% আমি দিয়েছি।  খামার তৈরির পরে আমি দেশে ছুটিতে এসে বুঝতে পারি আমার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তারা বিষয়টি স্থানীয় ভাবে বসে সমাধানের জন্য আশ্বাসদেন।

তাদের কথা মত গত ২৩/৮/২০ ইং তারিখে দৌলতপুরে আসি। দৌলতপুর থেকে রাত অনুমানিক সাড়ে ১০ টার  সময় ঝাউদিয়া উত্তরপাড়ায় যাওয়ার সময় আহসান নগর কারীগরী কলেজের কাছে পৌঁছালে আগে থেকে পরিকল্পিত ভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকা মাসুদ রুমি ও রবিউল ইসলাম সহ আরও ৫/৬ জন ব্যক্তি আমার গাড়ীর গতিরোধ করে।  হত্যার উদ্দেশ্যে রড় লাঠি দিয়ে মারপিট করে এবং আমার গলায় দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তারা ভাবে  আমার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে, পরে  রাস্তার পাশে ধান খেতে ফেলে রেখে চলে যায়।

এ বিষয়ে আহত মামুনের বোন জানান, আমার ভাই মামুনের ফিরতে দেরি হলে আমি তার মুঠোফোনে ফোন দিতে থাকি, এক পর্যায়ে এক জন অপরিচিত ব্যক্তি ফোন ধরে বলেন, এই ফোন ব্যবহার কারি ব্যক্তি আপনার কে হয়।

আমি যখন বলি এটা আমার ভাই, তখন তারা জানান আপনার ভাই মরে পড়ে আছে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে ঘটনা স্থল থেকে পুলিশ  আমার মামুন কে  উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে ভর্তি করে।  পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রের্ফাড করেন। আমার ভাই বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে মাসুদ রুমির কাছে জানতে চাইলে, তিনি  পাটনারে ব্যবসার কথা স্বীকার করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে যে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে, সেই বিষয়ে তিনি জানান,আমার দৌলতপুরে বসা ছিলাম আমরা আসার আগেই মামুন চলে আসে, আমরা তাকে মারি নাই।

এমন অবস্থায়  মামুনকে উদ্ধার কারী প্রত্যক্ষদর্শী   জানান, রাস্তা দিয়ে একটি লোক যাওয়া সময় হঠাৎ চিৎকার দিতে থাকে,  গ্রামবাসি এগিয়ে আসেন এখানে এক ব্যক্তি আহত অবস্থাতে পড়ে আছে। ছুটে এসে তাকে কাঁদামাখা অবস্থাতে উদ্ধার করে দেখি,তার গলাতে দড়ি দিয়ে ফাঁস দেওয়া। তাড়াতাড়ি করে আমরা দড়িটা হাসুয়া দিয়ে কেঁটে দিই। পরে পুলিশ ও আত্মীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার পুলিশ এস আই রোকন জানান,আমি মামুনকে ঘটনা স্থাল থেকে  উদ্ধার  করেছি। এ ব্যাপারে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

[পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের]


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
       
       
      1
30      
   1234
       
282930    
       
  12345
6789101112
13141516171819
2728293031  
       

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.